ঢাকা, শনিবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, | ৮ আশ্বিন ১৪২৪ | ২ মুহাররম ১৪৩৯

বিশ্বজুড়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে (ভিডিও)

dubaifireworks

বিশ্বজুড়ে ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭ উদযাপিত হচ্ছে। বিদায়ী বছরের গ্লানি ঝেড়ে নতুন বছর বরণে নানা আয়োজনে মেতে উঠেছে বিশ্ববাসী।

‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’- এ ব্যস্ত বিশ্বের বড় বড় শহর।নতুন বছরকে বরণ করে নিতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ং সেজেছে নতুন রূপে। আতশবাজি ফুটিয়ে, আলোর ঝর্ণাধারা বইয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।

সময়ের ব্যবধান থাকায় নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের কোথাও কোথাও এরই মধ্যে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে। আবার যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোসহ অনেক দেশে বর্ষবরণের উদযাপন চলছে।

তুমুল রাজনৈতিক হট্টগোলের বছর ২০১৬ সালকে বিদায় জানিয়ে শান্তিপূর্ণ ২০১৭ সালের প্রত্যাশায় মেতে উঠেছে মানুষ। প্রায় প্রতি জাতির নিজস্ব নববর্ষ থাকলেও ইংরেজি নববর্ষ অর্থাৎ খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সর্বজনীন, সব দেশের, সব মানুষের। আন্তর্জাতিক দিন, তারিখ, সালের হিসাব রাখতে খ্রিষ্টাব্দের ব্যবহার সব দেশেই কম-বেশি আছে।

নতুন বছর উদযাপনে প্রাণের হিল্লোল থাকলেও আছে আতঙ্ক, আছে প্রাণ যাওয়ার শঙ্কা। ২০১৬ সালে তুরস্কে বহু হামলা-হাঙ্গামা হয়েছে, জার্মানির বার্লিনে ক্রিসমাস মার্কেটে এবং ফ্রান্সের নিসে হামলা হয়েছে। হামলার আতঙ্কে আছে যুক্তরাজ্যও। লন্ডনে কয়েক হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে আতঙ্কের মধ্যে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে এসব দেশে নববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে।

প্যারিস, মাদ্রিদ ও নিউ ইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্কের মধ্যেই নববর্ষের অনুষ্ঠানাদি চলছে। যেসব কেন্দ্রীয় স্থানে লোকজনের ভিড় বেশি হয়, সেসব স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে আলোক উৎসব হয়। আলোর ঝর্নায় সাজে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। এ উপলক্ষে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুরে জমকালো আলোক উৎসব হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সামোয়া, টোংগা এবং কিরিবাতিতে হ্যাপি নিউ ইয়ারের উৎসব হচ্ছে। অকল্যান্ডে ১ হাজার ৮০ ফুট উঁচু স্কাই টাওয়ার থেকে আলোর ফোয়ারা ছোটানো হয়।

সিডনি হারবারে মধ্যরাতে নতুন বছরের প্রথম প্রহরে আলোর ফোয়ারায় ভরে ওঠে আকাশ। ২০১৬ সালে মারা যাওয়া সংগীত জগতের দুই সুপারস্টার প্রিন্স ও ডেভিড বোউই-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয় এবারের আলোক উৎসব। সাত টন আতশবাজি ফুটিয়ে এ উৎসব করা হয়। প্রায় দেড় লাখ মানুষ আলোক উৎসব উপভোগ করেন।