ঢাকা, রবিবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৮, | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ৯ রবিউল-আউয়াল ১৪৪০

আবুধাবীতে আর পারেনি অষ্ট্রেলিয়া, ৩৭৩ রানের পরাজয়

আর পারেনি

সবসময় যে দুবাই ঘটনা ঘটবে তা ভাবা বোকামী। দুবাইয়ে ১৪০ ওভার খেলে নিশ্চিত পরাজয় রুখে দিলেও আবুধাবীতে আর পারেনি অষ্ট্রেলিয়া। মোহাম্মদ আব্বাসের মিডিয়াম পেস বিষে ৩৭৩ রানের লজ্জাজনক পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে পেইন বাহিনী। যা তাদের টেষ্ট ক্রিকেট ইতিহাসের চতুর্থ লজ্জার হার। পরাজয়ের মঙ্গে সিরিজটাও হেরেছে তারা। দুই ইনিংসে পাঁচ উইকেট করে এক টেস্টে ১০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন মিডিয়াম ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আব্বাস।

মেঘলা আবহাওয়া এবং বাতাসের মধ্যে খেলতে নামা অষ্ট্রেলিয়া ৫০ ওভারেরর মধ্যে ১৬৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে গুড়িয়ে গেছে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩৭ রান। মিডল অর্ডার লাবুশেন কেবল চল্লিশোর্ধ ইনিংস খেলেছ। তার সংগ্রহ ৪৩। এর আগে প্রথম ইনিংসে ১৪৫ রানে অলআউট হয়েছিল অসি বাহিনী।

বোলিং রেকর্ডবুকের প্রায় সব পাতাই স্পর্শ করে গেছেন মাত্র ১৮ মাস আগে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটা বিলাল আব্বাস। আবুধাবীতে দশ উইকেট নেওয়া প্রথম বোলার হলেও ১২২ বছরের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের দ্রুততম ৫০ টেস্ট উইকেট শিকারীদের অন্যতম হলেও সবচেয় কম গড়ে দ্রুততম ৫০ টেস্ট উইকেটধারীর কাতারে প্রথমস্থানে নিজের নাম লিখিয়েছেন। এ মুহুর্তে অলিখিতভাবে টেস্ট এর এক নম্বর বোলার হয়েছেন ১০ টেস্টে ৫৯ উইকেট নেওয়া বোলার আব্বাস। ২০১৭তে কিংস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেঙ্গ অভিষেক হয় আব্বাসের।

শুক্রবার চতুর্থ দিনের শুরুতে ১০ রানে উইকেট হারালেও অ্যারন ফিঞ্চ এবং ট্রেভিস হেড ভালোই করছিলেন। ৬১ রানের জুটি গড়লেও আব্বাসের আঘাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে অষ্ট্রেলিয়ান মিডল অর্ডার তার সঙ্গে লেজ মোড়ানোর কাজটা ভালোভাবেই সারেন স্পিনার ইয়াসির শাহ। সরফরাজের বদলে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব করেন আসাদ শফিক। তিনি এক প্রান্ত থেক আব্বাসকে দিয়ে আক্রমন চালিয়ে গেছেন। লবাুশেন এবং মিশেল স্টার্কের জুটি লাঞ্চ টাইম পার করবে মনে হলেও লাঞ্চের আধা ঘন্টা আগে ইয়াসির শাহ দুজনের ৬৭ রানের জুটি ভাঙ্গেন। যদিও ডিআরএস পদ্ধতিতে আউট হওয়া স্টার্কের আউট অনেককেই সন্তুষ্ট করেনি। তারপর লেজ ভেঙ্গে দিতে বেশি সময় নেননি ইয়াসির। এর সঙ্গে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাড়ায় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ওসমান খাঁজার ব্যাট না করতে পারা। আহত হয়ে ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে নামতেই পারেননি খাঁজা।
পাকিস্তান ২৮২ (ফখর ৯৪, সরফরাজ ৯৪, নাথান লায়ন ৪-৭৮) এবং ৪০০/৯ (ডি.) (বাবর ৯৯, সরফরাজ ৮১, ফখর ৬৬, আজহার ৬৪) হারিয়েছে অষ্ট্রেলিয়াকে ১৪৫ (ফিঞ্চ ৩৯, আব্বাস ৫-৩৩) এবং ১৬৪ (লাবুশেন ৪৩, আব্বাস ৫-৬২, ইয়াসির ৩-৪৫) ৩৭৩ রানের ব্যবধানে।


%d bloggers like this: