ঢাকা, বুধবার , ২৪ জুলাই ২০১৯, | ৯ শ্রাবণ ১৪২৬ | ২০ জিলক্বদ ১৪৪০

এবারো হতাশায় শেষ জয়ের স্বপ্ন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজেও অতৃপ্তি রয়ে গেলো বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মনে। শেষটা মধুর হলো না বাংলাদেশ ভক্তদের কাছে। টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই, ওয়ানডে সিরিজে জয়ের পর টি-২০ সিরিজ হারল বাংলাদেশ।

শনিবার(২২ ডিসেম্বর) মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৫০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে সাকিবরা। এই হারে ২০০৯ সালের পর আবার ট্রেবল জয়ের সামনে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। কিন্তু ক্যারিবীয় দ্বিপপুঞ্জের মতো এবারও হতাশায় শেষ হলো জয়ের স্বপ্ন।

উইন্ডিজ ওপেনার শাই হোপ যেভাবে মিরপুরে শীতকালীন তুষার ঝড় শুরু করেন শুরুতে চুপসে যায় বাংলাদেশ। তারা আট ওভারের মধ্যে তুলে ফেলে একশ’ রান। তবে মাহমুদুল্লাহ-সাকিব এবং মুস্তাফিজ মিলে টেনে ধরেন তাদের লাগাম। চার বল হাতে থাকতে ১৯০ রানে অলআউট করে দেন তাদের। নাগালের মধ্যে লক্ষ্যও পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

কিন্তু শুরুতে তামিমের রান আউটে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পরে লিটনের ব্যাটে আশা দেখতে শুরু করে। কিন্তু চতুর্থ ওভারের ‘নো’ বল যেন উৎসবের পরিবেশে আঘাত করে। এরপর হুড়মুড়িয়ে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ১৪০ রানেই শেষ হয় পূর্ণাঙ্গ সিরিজে বাংলাদেশের শেষ ইনিংসটা।

আম্পায়ার তানভির আহমেদের বাজে সিদ্ধান্তেই সব শেষ। নো বলের ভুল কল দেন তানভির। রিভিউতে স্পষ্ট দেখা যায় থমাসের বলটি নো ছিল না। নো বলের ভুল কলের কারণে ক্যাচ আউট থেকে লিটন দাস বেঁচে গেলেও, সেই প্রভাব পড়ে সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের ওপর। এরপর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

ফ্যাবিয়ান অ্যালানের পরপর দুই বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সৌম্য ও সাকিব। ৫.৩ ওভারে দলীয় ৬৬ রানে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। সৌম্য-মুশফিকরা ৯ ও ১ রান করে করলেও রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি সাকিব। মাহমুদুল্লাহও মাত্র ১১ রান করে ফিরে গেছেন।

শেষ খবর হলো বাংলাদেশ ৯ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৪ রান। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও মিরাজ।

ক্যারিবীয় পেস বোলার ওশান থমাম বল ডেলিভারি দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নো বলের কল দেন আম্পায়ার তানভির আহমেদ। সেই বলে ক্যাচ তুলে দেন লিটন দাস। কিন্তু উইন্ডিজের অধিনায়ক কার্লোস ব্রাথওয়েট ‘নো’ বলের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ করে রিভিউ চান।

রিভিউতে দেখা যায়, আসলে তা নো বল হয়নি। আর এই নো বলের সমস্যা নিয়ে খেলা নয় মিনিট বন্ধ থাকে। অনেক নাটকের পর আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্তই অটল থাকে।

ম্যাচে জিতলেই প্রথমবার কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন সিরিজের সবকটিতে জয়ের রেকর্ড গড়বে টাইগাররা। সেই মাইলফলকের ম্যাচে ১৯১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রান আউট হয়ে সাজঘরে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দলীয় ২২ রানে ফেরেন তামিম। নির্ভরযোগ্য এই ওপেনারের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।


%d bloggers like this: