ঢাকা, সোমবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, | ৩ পৌষ ১৪২৫ | ৯ রবিউস-সানি ১৪৪০

দুর্গাপূজায় সারাদেশে পূজামন্ডপ বাড়ল ১১৯৫টি , ঢাকায় বেড়েছে ৪টি

বেড়েছে ৪টি

দুর্গাপূজায়  সারাদেশে গতবারের চেয়ে পূজামণ্ডপ বেড়েছে ১১৯৫টি। রাজধানী ঢাকায় বেড়েছে ৪টি পূজামণ্ডপ। এবার বিজয়া দশমী শুক্রবারে হওয়ায় বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত শোভাযাত্রা বন্ধ থাকবে এবং এরপর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে।

শনিবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতেই এবার বেলা ২টার পর থেকে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হবে বলেও জানান তারা।

সভায় জানানো হয়, এবার সারাদেশে ৩১ হাজার ২৭২টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। গত বছর পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩০ হাজার ৭৭টি। এবার বৃদ্ধি পেয়েছে ১ হাজার ১৯৫টি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬ হাজার ৮০৪টি, চট্টগ্রামে ৪ হাজার ৫০৬টি, সিলেটে ২ হাজার ৩৪১টি, খুলনায় ৪ হাজার ৮৮৩টি, রাজশাহীতে ৩ হাজার ৫৪২টি, রংপুরে ৫ হাজার ৩৭১টি, বরিশালে ১ হাজার ৭২৪টি ও ময়নসিংহে ২ হাজার ১০১টি বেড়েছে। একমাত্র সিলেট বিভাগ ছাড়া বাকি সাতটি বিভাগেই পূজার সংখ্যা বেড়েছে।

মতবিনিময় সভায় বলা হয়, ১৫ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে পূজার মূলপর্ব। আগামী ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমী পড়েছে শুক্রবার। শুক্রবার জুম্মার দিন, তাই ওইদিন দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত শোভাযাত্রা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে রাত ১০টার মধ্যে নিরঞ্জন সম্পন্ন করতে সব পূজামণ্ডপ অঙ্গ সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও যথানিয়মে বিজয়া দশমীর দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, ১৯ অক্টোবর বেলা ৩টায় মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী কেন্দ্রীয় মন্দির থেকে বিজয়ার শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, গোলাপ শাহ মাজার, গুলিস্তান, নবাবপুর, রায় সাহেবের বাজার হয়ে সদরঘাটের ওয়াইজঘাট বিনাস্মৃতি ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত, সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, মনীন্দ্র কুমার নাথ, অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল, বিপ্লব দে, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক কিশোর রঞ্জন মণ্ডল প্রমুখ।


%d bloggers like this: