ঢাকা, বুধবার , ১৭ জুলাই ২০১৯, | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ | ১৩ জিলক্বদ ১৪৪০

চলচ্চিত্র পরিচালনা আমার সবচেয়ে প্রিয় —অনন্য মামুন

আকাশনীল ভট্টাচার্য ● ‘অস্তিত্ব’ সিনেমার ফার্স্ট লুক গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ইউটিউবে ছাড়া হয়। ভিউয়ারের সংখ্যাটা ভালোই। তারপর এবছর ৭ জানুয়ারি ইউটিউবে একটি চ্যানেলে দেয়া ‘আয় না, বল না’ গানটি সাড়া জাগায় ব্যাপক। এই গানে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য শুভ-তিশা উজাড় করে দিয়েছেন নিজেদের। ২৬ জানুয়ারি ‘আমি বাংলার হিরো’ গানটি সবার উপভোগের জন্য দেয়া হয় ইউটিউবে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অস্তিত্ব’ কথাটা ঘুরছে ভালোই। ইউটিউব, ফেসবুক, টইটার ঘুরে যেটা মনে হচ্ছে, ‍‘অস্তিত্ব’ দর্শকপ্রিয়তা পাবে, হলে গিয়ে মানুষ দেখবে সিনেমাটা। শুভ-তিশা এই সিনেমার হিরো-হিরোইন।

লেটেস্ট নিউজ হচ্ছে ‘তোর নামে লিখেছি হৃদয়’ মুভিতেও কাজ করবেন তিশা। এই সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় থাকবেন কলকাতার নায়ক সোহম। শুভ, তিশা, সোহম আর নতুন নতুন সিনেমা— সব মিলিয়ে সময়টা দারুণ ভালো কাটছে একজনের। তিনি অনন্য মামুন। কারণ ‘অস্তিত্ব’ এবং ‘তোর নামে লিখেছি হৃদয়’ সিনেমা দুটির পরিচালক তিনি, পেছনের কারিগরও তিনি।

ঢালিউডের উঠতি নির্মাতা অনন্য মামুন। ২০০৪ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে। স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালনা, প্রযোজনা করেছেন। এরপর সবশেষ তো দেখিয়েই দিলেন তার মেধা আর যোগ্যতা। এ নির্মাতার মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘আজ’ এর কালারস রিপোর্টার। ছবি তুলেছেন ফটোজার্নালিস্ট তানভীর আহমেদ

চলচ্চিত্রে আসার গল্প…

১৯৯৫ সালে স্কুল পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে সারাদেশের মধ্যে সেরা স্কাউট নির্বাচিত হয়েছিলাম আমি। যেটার পুরস্কার নিয়েছিলাম তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে। আর আগে থেকেই আমি শিশু একাডেমি, শাপলা কুঁড়ি, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, বগুড়া থিয়েটার, নান্দনিক নাট্যগোষ্ঠী এসবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তখন আমি অভিনয় করতাম এবং সে সময় জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আমি প্রায় শতাধিক পুরষ্কার পাই অভিনয়ের জন্য। এরপর থেকে ইচ্ছা জাগে আরো ভাল কিছু করার। আর সে জায়গা থেকে ফিল্মে আসি। তবে, ফিল্মে আসার আগে সবার স্বপ্ন থাকে হিরো-হিরোইন হবে। কিন্তু আমার সে ধরণের স্বপ্ন ছিলো না। আমার স্বপ্ন ছিল ক্যামেরার পেছনে কাজ করা। আর সে স্বপ্নটার সত্যিকার যাত্রা শুরু হয় ২০০৪ সালে। আব্দুল্লাহ বাবুর সাথে সহকারী স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কাজ শুরু করি।

অনন্য মামুন

স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন। পরে পা বাড়ালেন চলচ্চিত্র পরিচালনায়। পরিচালনায় আসার কারণ?

যখন আমি গল্প লিখতাম তখন মনে হতো, আমি নিজের একটি গল্পকে সবার সামনে নিয়ে আসি না… আর সেখান থেকে পরিচালনায় আসা।

একাধারে আপনি স্ক্রিপ্ট রাইটার আবার পরিচালকও। নিজের মধ্যে কোনটি ধারণ করতে চান?

চলচ্চিত্র পরিচালনা হচ্ছে কর্মব্যস্ততার দিন শেষে বাড়ি ফেরার মতো। এ জগতে আসলে যারা কাজ করেন, সব ক্রিয়েটিভ মানুষই চান চলচ্চিত্র পরিচালনা করতে। এন্ড অফ ডের মত। চলচ্চিত্র পরিচালনা আমার সবচেয়ে প্রিয়। লেখালেখিটা ভালো লাগে।

অনন্য মামুন

মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে কোনো প্রতিবন্ধকতা পেয়েছেন কি?

না, আসলে আমার কোনো প্রতিবন্ধকতা আসেনি। সবাই সাহায্য করেছে। আসলে জগৎটা আমার কাছে পরিচিত ছিলো।

সবার ক্ষেত্রে কি প্রতিবন্ধকতা আসেনা?

আমার কাছে এক্ষেত্রে জটিলতার কিছু নেই। এটি ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক। ফিল্ম বানানো, এখানে মারামারি বা যুদ্ধ করার কিছু নাই। এটি ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক। ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কে সবার ক্ষেত্রে একই হওয়া উচিত।

ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এর মধ্যেও সময় দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আপনাকেও ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

অস্তিত্ব’ রিলিজ হওয়ার আগ পর্যন্ত থাকুন ইউটিউডবে Anonno Mamun Team চ্যানেলে। উপভোগ করুন দারুণ সব ‍ভিডিও—

(aaj24.com)/আজ/টিএ/এমকে/৩০৪

ফেসবুকে আজ ● facebook/aaj24fan

 

 


%d bloggers like this: