ঢাকা, মঙ্গলবার , ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ৩ রবিউস-সানি ১৪৪০

চলতি মাসেই কাজ শুরু করছে ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’

কাজ শুরু

চলতি মাসেই কাজ শুরু করছে ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’ বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে তথ্য অধিদফতর উপপ্রধান তথ্য অফিসার রিফাত জাফরীনকে প্রধান করে ৯ সদস্যের ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’ গঠন করেছে সরকার। এই সেল চলতি মাস থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’এর কার্যক্রম নির্ধারণ ও সহযোগিতার কার্যকর বিষয়ক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা।

তারানা হালিম বলেন, আমরা আশা করছি চলতি মাসেই তথ্য মন্ত্রণালয় কর্মকাণ্ড শুরু করে দেবে। আমরা যদি মনে করি তথ্য অধিদফতরের এ সেলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য আরো একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তাহলে আরো একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, এ সেলের কাজ হচ্ছে কোনটি গুজব সেটা শনাক্ত করে মিডিয়াকে অভিহিত করা যে, এটি গুজব। এটাতে আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গুজব কোনটাকে আমরা ধরছি; গুজব হচ্ছে- এমন মিথ্যা বা অসত্য বা বানোয়াট তথ্য বা অতিরঞ্জন যেটির কারণে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ক্ষুণ্ন হয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত এবং রাষ্ট্র বিব্রতকার অবস্থায় পড়ে যায়। যেটি যেকোনো একটি অন্দোলনকে ভিন্ন পথে প্রবাহিত করতে পারে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ কাজগুলো করার জন্য এরইমধ্যে তথ্য অধিদফতর সিনিয়ার তথ্য অফিসারকে প্রধান করে একটি ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটির অধীনে কাজ করবে আর কিছু কর্মকর্তা। এ সেলটিকে কার্যকর করার জন্য প্রথমে নির্ধারণ করা হবে এ মহূর্তে অনলাইনে কোন গুজবগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে সেটা নির্ধারণ করা। এগুলো আসলে গুজব কিনা সেটা নির্ধারণে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর লোকজন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে গিয়ে নিশ্চিত হবে। গুজব না হলে সেখানে আমাদের কিছু করার থাকবে না। গুজব হলেই আমরা জানাবো যে এটি গুজব।

তারানা হালিম আরো বলেন, পরবর্তীতে গুজবগুলোর তালিকা তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালেয়র মাধ্যমে কনটেন ব্লক বা ফিল্টার করার জন্য বিটিআরসির কাছে পাঠিয়ে দেব। গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা এটি দৈনিক বা সাপ্তাহিকভাবে করতে পারি। এ জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো বিতর্কিত তথ্যকে নিউজের সোর্স হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


%d bloggers like this: