ঢাকা, মঙ্গলবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, | ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ | ১৩ জমাদিউস-সানি ১৪৪০

জুলহাজ-তনয় হত্যায় অংশ নেয় ৭ জন

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান এবং তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ৭ জন। তারা টঙ্গী থেকে প্রথমে কলাবাগান আসে। পরে কলাবাগানে জুলহাসের বাসার পাশের একটা মসজিদে নামাজ পড়ে। এরপর এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। সাতজনের মধ্যে ৫ জন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। বাকি দুজন বাইরে থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছিল। এরা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। এটি ছিল তাদের ২০১৬ সালের শেষ অপারেশন।

বুধবার(১৬ জানুয়ারি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

হত্যার প্রধান আসামি আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম জানান, আনসার আল ইসলামের কিলার গ্রুপ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন পাঁচজন। এ পর্যন্ত হত্যাকান্ডে সরাসরিযুক্ত ৩ জন সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার  জুবায়দুল আনসার আল ইসলাম বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রশিক্ষক ছিল। ২০১৫ সালে জুবায়দুল ছাত্র শিবিরের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে জুবায়দুল। আনসার আল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আগামী ২৩ জানুয়ারি আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল রাজধানীর কলাবাগানে বাসায় ঢুকে জুলহাস মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতেই জুলহাজের ভাই মিনহাজ মান্নান অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে কলাবাগান থানায় হত্যা মামলা করে।

জুলহাজ সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার প্রটোকল কর্মকর্তা ছিলেন। পরে তিনি যোগ দেন উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএইডে। রূপবান নামে একটি সাময়িকীর সম্পাদনায় যুক্ত ছিলেন তিনি।

আজ ২৪ প্রতিবেদক, ঢাকা


%d bloggers like this: