ঢাকা, সোমবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ | ১৩ মুহাররম ১৪৪০

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল

টি-টোয়েন্টি নারী বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বের টিকেট নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল।  মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের সেমিফাইনালে ৪৯ রানের সহজ জয় দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মূল পর্ব নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের।

২০ ওভারে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের করা ১২৫ রানের জবাবে স্কটল্যান্ড নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করতে পারে ৭৬ রান। ৪৯ রানের এই জয়ে নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ।

নেদারল্যান্ডসের বাছাই পর্বের ফাইনালিস্ট হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে আয়ারল্যান্ড। আগামী শনিবার আইরিশদের বিপক্ষে ফাইনাল নামবে সালমারা।

ভিআরএ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্কটল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। তারপরও ১২৫ রানই স্কটিশদের কাছে পাহাড় সমান হয়ে দাঁড়ায়। স্কটিশ দুই ব্যাটার ছাড়া কেউই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি।

জাহানারা-সালমারা শুরুতেই চেপে ধরেন স্কটিশ দুই ওপেনারকে। সেই চাপ থেকে বের হতে গিয়ে সালমার ফাঁদে পা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন র‌্যাচেল স্কোলেস (৪)। এরপর কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। ঠাণ্ডার মাথায় ব্যাটিংয়ে স্কটিশদের দ্বিতীয় উইকেট জুটি বাংলাদেশের শিবিরে অস্বস্তির জন্ম দেয়।

সেটা অবশ্য বেশিক্ষণ থাকতে দেননি লেগ স্পিনার ফাহিমা খাতুন। তার বল এগিয়ে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন ওপেনার সারা ব্রাইস। তাতে ৪৩ রানের জুটি ভাঙলে স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ দলে।

এরপর নাহিদা-রুমানাদের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রানে থামতে হয় স্কটিশদের। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সারা ব্রাইস, তিনি ৯৯ বলে ২ চারে ৩১ রানের ইনিংস খেলেন।

বাংলাদেশ দলের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল নাহিদা আক্তার ও রুমানা আহমেদ। প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সালমা ও ফাহিমা নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং পাওয়া বাংলাদেশ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। দুই ওপেনার শামীমা ও আয়েশা মিলে গড়েন ৫১ রানের জুটি। ১৬ বলে ৩ চারে ২২ রানের ইনিংস খেলা শামীমা দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। সঙ্গীকে হারিয়ে ফিরে যান অন্য ওপেনার আয়েশা রহমানও (২০)। ১১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে কিছুটা অস্বস্তির জন্ম হয়।

যদিও সেই অস্বস্তি অনেকটাই দূর করে দেন নিগার সুলতানা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩১ রানের ইনিংস খেলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৩৬ বলে ২ চারে তিনি তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন। শেষ দিকে ফাহিমার ১৫ ও সানজিদার ১৯ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে।


%d bloggers like this: