ঢাকা, রবিবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৮, | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ৯ রবিউল-আউয়াল ১৪৪০

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিট প্রশ্নপত্র ফাঁস, ইন্টার্ণ চিৎসকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার

চার জনকে

মিটফোর্ড হাসপাতালের ইন্টার্ণ চিকিৎসক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ চার জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল হোতা অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দারা। গ্রেফতারকৃতদের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এ পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান থানার নর্দ্দা বাজার মেইন রোড কালাচাঁদপুর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত চারজন হলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক তানভির হাসান রাফি (২৭), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ফরহাদ মিয়া (২৩), এস এম আবু সাঈদ (২২) ও শাহ মোহাম্মদ ফাহিম (১৯)।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ওই চারজনকে বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ওই মামলায় আরো ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তারা এখন কারাগারে আছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিআইডি আদালতকে বলেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবং মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার আগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছে টাকার বিনিময়ে ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহ করে পরীক্ষা চলাকালীন আসামিরা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে আসছেন। মামলাটি তদন্ত করছেন সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এস এম কামরুল আহসান বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন।

ওই মামলায় এর আগে গ্রেফতারকৃত ছয় আসামি হলেন জাহিদুল ইসলাম, মো. ইনসান আলী ওরফে রকি, মো. মোস্তাকিম হোসেন, মো. সাদমান সালিদ, মো. তানভির আহমেদ ও মো. আবু তালেব। তাদের মধ্যে ইনসান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থী, আর জাহিদুল ইসলাম তার বাবা। অন্যরা বগুড়ার দুটি ভর্তি তথ্যদানকারী কম্পিউটার দোকানের কর্মচারি

 


%d bloggers like this: