ঢাকা, বুধবার , ১৭ জুলাই ২০১৯, | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ | ১৩ জিলক্বদ ১৪৪০

দারুন আশা জাগিয়েও হারল মাশরাফিরা

রাজশাহীর টার্গেট বড় ছিল না। কিন্তু সেই ১৩৬ রানের টার্গেটই রংপুরের সামনে পাহাড় সমান হয়ে দাঁড়ালো। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হারতে হল মাশরাফিদের। ব্যাটিংয়ের শুরুটা রাজশাহী কিংসের যেমন হয়েছিল রংপুরেরও তেমন হয়। রাজশাহী অধিনায়ক মিরাজ ওপেনে নেমে ডাক মারেন। মাশরাফি আবার রংপুরের হয়ে ওপেনে নেমে শূন্য রানে ফেরেন। রাজশাহী মধ্যে ভালো করে। রংপুরও ভালো করে। ম্যাচ তখন শেষের রোমাঞ্চে চলে যায়। সেই রোমাঞ্চে দারুণ বল করে মুস্তাফিজ রংপুরের বিপক্ষে তার দল রাজশাহীকে জেতান ৫ রানে।

শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য ২২ রান দরকার ছিলে রংপুর রাইডার্সের। হাতে পাঁচ উইকেট। এরমধ্যে টুর্নামেন্টে দারুণ খেলা রাইলি রুশো ছিলেন ক্রিজে। কিন্তু মুস্তাফিজের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারলেন না তিনি। কাটার মাস্টার ১৮তম ওভারে বল হাতে নিয়ে দেন মাত্র ৪ চার। দুই ওভারে ১৮ রানে নেমে আসে লক্ষ্য। ইসুরু উদানা ১৯তম ওভারে ৮ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। শেষ ওভারে মুস্তাফিজের কাঁধে পড়ে ১০ রান আটকানোর ভার। তিনি দেন মাত্র ৪ রান। তার দল জয় পায় ৫ রানে।

এর আগে রাজশাহী শুরুতে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তোলে। দলের হয়ে জাকির হোসেন ৩৬ বলে হার না মানা ৪২ রান করেন। হাফিজ ২৬ রান করেন। এছাড়া সৌম্য ১৮ এবং মুমিনুল ১৪ রান করেন। তাদের দলে থাকা উদানা, ডেসকটে, ইভান্সরা এ ম্যাচে ব্যর্থ হন।

জবাবে রংপুর তুলতে পারে ৬ উইকেটে ১২৯ রান। তাদের দলের হয়ে রুশো হার না মানা ৪৪ রান করেন। এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৩০ রান। গ্রিস গেইল করেন ২৩ রান। নাহিদুল ইসলাম ১৬ রান পান।

রংপুরের হয়ে এ ম্যাচেও দারুণ বোলিং করেন অধিনায়ক মাশরাফি। তিনি  ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া ফরহাদ রেজা দুই উইকেট দখল করেন। সোহাগ গাজী এবং শাফিউল ইসলাম নেন একটি উইকেট। রাজশাহীর হয়ে মুস্তাফিজ কোন উইকেট পাননি। তবে ৪ ওভারে তিনি মাত্র ১৭ রান দেন। কামরুল রাব্বি এবং মোহাম্মদ হাফিজ দুটি করে উইকেট নেন।

আজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক


%d bloggers like this: