ঢাকা, সোমবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, | ৩ পৌষ ১৪২৫ | ৯ রবিউস-সানি ১৪৪০

বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করছে নয় কোম্পানি

বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সিটিতে ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে নয়টি প্রযুক্তি কোম্পানি। তারা এখানে মোবাইল, ল্যাপটপ, কমিউনিকেশন ডিভাইস, ডাটা সেন্টারসহ হাজারও আইটি পণ্য তৈরি করবে। আর এসব পণ্য তৈরিতে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে কোম্পানিগুলো।

এ বিষেয়ে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের দেশের তরুণ বিশ্বের মধ্যে মেধাবী। এই তরুণ সমাজের হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে। আমি একবার একটা সিম্ফনির কারখানায় গিয়েছিলাম। সেখানে দেখি সবাই বাংলাদেশের তরুণ। প্রথমে মনে করেছিলাম, সবাই হয়তো বিদেশি হবে।

তিনি বলেন, একটি মেয়ে সেখানে কঠিন ডিভাইস তৈরি করছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কোন বিষয়ে পড়েছো। সে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। এতেই বোঝা যায় বিষয় কোনো ফ্যাক্ট নয়। সবাই এখানে কাজ করতে পারবে। আমরা ডিজিটাল ডিভাইস বানিয়ে রফতানি করতে পারবো।

পরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজকে বলবো, নয়টি কোম্পানি ভাগ্যবান। তারা হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করছে। আরও কোম্পানিকে আহ্বান জানাবো, আপনারা এখানে দ্রুত বিনিয়োগ করুন। তা না হলে হাইটেক পার্কের এক ইঞ্চি জমিও পড়ে থাকবে না। আমরা পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ সকল সুবিধা দিচ্ছি। এছাড়া কয়েকদিনের মধ্যে ঢাকা থেকে হাইটেক পার্কে ডেমু ট্রেন সার্ভিস চালু হবে।

এসময় নয়টি কোম্পানির উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানসম্মত আইটি পণ্য তৈরি করুন। দেশের তরুণ সমাজকে কাজের সুযোগ দিন। সরকার আপনাদের সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেবে। ‘এছাড়া আশা করছি প্রথম বছরেই আপনারা এক বিলিয়ন ডলার রফতানি করবেন। এরপর অন্যারাও এগিয়ে আসবে।’

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সিটির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম ও নয়টি কোম্পানির প্রতিনিধির মধ্যে চুক্তি সই হয়।

কোম্পানিগুলো হলো- রবি আজিয়াটা, জেনেক্স, বিজেআইটি সফটওয়্যার, ফেয়ার ইলেকট্রনিক, কেডিএস গ্রুপ, ইন্টারক্লাউড, বিজনেস অটোমেশন, নাসডাক টেকনোলজি এবং জেআর এন্টারপ্রাইজ।

কোম্পানিগুলোকে আগেই প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী ৪০ বছর বিনিয়োগের সুযোগ পাবে তারা। আজকে তাদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পুরোদমে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে কোম্পানিগুলো।

চুক্তিতে ২০ দশমিক ৫০ একর জমি বরাদ্দ পেলো নয়টি কোম্পানি। তারা সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, আইওটি, বিপিও, ট্রেনিং সেন্টার, ডাটা সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে। বাংলাদেশের শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা এতে কাজের সুযোগ পাবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে


%d bloggers like this: