ঢাকা, মঙ্গলবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ | ১৫ মুহাররম ১৪৪০

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের আগের দিন মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনির্ধারিত ব্রিফিংয়ে এ নির্বাচনের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের।বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা সদরে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে চেয়ারম্যান, সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচনে ভোট দেবেন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা।

তিন পার্বত‌্য জেলা বাদ দিয়ে ৬১টি জেলায় এই নির্বাচন হচ্ছে। তবে এর মধ‌্যে ২১ জেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কুষ্টিয়ায় একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও আদালত সেই প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে।

বাকি ৩৯ জেলায় চেয়ারম‌্যান পদে ভোটে রয়েছেন ১২৪ জন। এসব জেলার মধ‌্যে অন্তত ৩৭টিতে ক্ষমতাসীন দলের ৭৭ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশনের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছিল।

এ নির্বাচনে ‘কিছু’ স্থানীয় সাংসদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ সোমবার সংসদ সদস‌্যদের তাদের নির্বাচনী এলাকা থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেন।

ইসির হাতে আসা তথ‌্য অনুযায়ী, অনেক প্রার্থী তাদের জয় নিশ্চিত করতে ভোটারদের বলছেন ক্যামেরায় ছবি তুলে আনতে, কেউ বলছেন ব্যালট পেপারের পেছনে বিশেষ চিহ্ন দিতে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বর্জনের মধ‌্যে পরোক্ষ ভোটের এ নির্বাচনে জয় পেতে টাকার খেলা চলছে বলেও পত্রিকায় খবর এসেছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, “টাকা কালো কি সাদা, আমি জানি না। আমাদের দেশে নির্বাচনে মানি ফ্যাক্টর এখনও। মানি হ্যাজ এ রোল টু প্লে।

এই নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আওয়ামী লীগের যেসব প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন তাদের প্রতি কোনো বার্তা আছে কি না- এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, “এই ইলেকশনে অপজিশন অংশ নেয়নি। অপজিশন বলতে বিএনপি-জাতীয় পার্টি, তাদের কোনো অংশগ্রহণ এই নির্বাচনে নেই। এখানে আমরা কাউকে মনোনয়ন দেইনি, সমর্থন করেছি।


%d bloggers like this: