ঢাকা, সোমবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, | ৩ পৌষ ১৪২৫ | ৯ রবিউস-সানি ১৪৪০

বেলগ্রেড জঙ্গল কিংবা মাছের খামারে ফেলা হয়েছে খাসোগীর মৃতদেহ

জঙ্গল কিংবা

খাসোগীর দেহাবশেষ এর খোঁজে তল্লাশী চালাচ্ছে তুরস্ক পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্ত সুত্রমতে, ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেট এর নিকটবর্তী বেলগ্রেড জঙ্গল কিংবা মাছের খামারে ফেলা হয়েছে জামাল খাসোগীর মৃতদেহ। বিবিসি অনলাইন এই সংবাদ দিয়েছে।

ইতিমধ্যে সৌদি কনস্যুলেট ও কনসাল জেনারেলের বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। অনুসন্ধানের সময় সৌদি কনস্যুলেট ও কনসাল জেনারেলের বাসভবন থেকে নেয়া নমুনা খাশোগির ডিএনএর সঙ্গে মেলে কিনা, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে খাসোগী নিখোঁজের ঘটনা তদন্তে সৌদি আরবকে বাড়তি সময় দিলেও রিয়াদে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বিনিয়োগকারীদের সম্মেলন বয়কট করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মিউচিন তার সৌদি সম্মেলনে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। জামাল খাসোগী নিখোঁজ কিংবা খুনের ঘটনার পেছনে সৌদি আরব জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগের মধ্যে একের পর এক দেশের মন্ত্রীরা এমন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর আগে সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দেন ব্রিটিশ, ফরাসি ও ডাচ মন্ত্রীরা। মার্কিন মন্ত্রীও এবার একই কাতারে শামিল হলেন।

গত ২ অক্টোবরে তুরস্কে ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর বেরিয়ে আসেননি সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগী। তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তুরস্ক। সৌদি আরব এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে ঘটনাটি তদন্তে তারা উদ্যোগ নিয়েছে।

খাশোগির বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেই সৌদি আরব গিয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। সৌদি আরব তাকে ঘটনা তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ তদন্তের জন্য আরও কিছু দিন সময় সৌদি আরবকে দিতে বলেছেন পম্পেও। এর পরই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মিউচিন এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওর সঙ্গে আলাপের পরই সৌদি সম্মেলনে যওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে জানিয়েছিলেন। এ কারণেই তার সিদ্ধান্তটি এলো পরে।

মিউচিনও সরে যাওয়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে সৌদি আরবের বিনিয়োগ সম্মেলন। দ্য ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ শীর্ষক এ সম্মেলন সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২৩-২৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার সংস্কার কর্মসূচি ভিশন-২০৩০ এগিয়ে নিতে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।


%d bloggers like this: