ঢাকা, সোমবার , ২২ অক্টোবর ২০১৮, | ৭ কার্তিক ১৪২৫ | ১২ সফর ১৪৪০

ব্রেট কাভানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ আমেরিকায়, আটক শতাধিক

ব্রেট কাভানার

সম্ভাব্য প্রধান বিচারপতি ব্রেট কাভানার বিরুদ্ধে বিক্ষেোভ হয়েছে আমেরিকার ওয়াশিংটন এবং নিউইয়র্কে। এ ঘটনায় শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সহস্রাধিক বিক্ষোভকারী ওয়াশিংটনে আপিল কোর্ট এর সামনে যেখানে কাভানা এখনও কাজ করছেন সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ব্রেট কাভানার নিয়োগের বিষয়ে। এদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই ছিল বেশি। বিক্ষোভকারীরা সেখানে র‌্যালি করে চিৎকার করে বলতে থাকেন, কাভানাকে বিদায় নিতে হবে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলে। সিনেট অফিস বিল্ডিংয়ের সামনে বসে পড়ায় এবং উঠতে অস্বীকৃতি জানানোয় অ্যাকশনে যায় পুলিশ। কমেডিয়ান অ্যামি শুমার এবং মডেল এমিলি রাতাজকোয়াস্কিসহ ৩০২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি। এদিকে একই দাবীতে নিউইয়র্কে ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র রাজশাহ বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা হাইস্কুল পানাহারের উদ্দেশ্যমূলক ব্যবহার করতে চায় ‘

এফবিআই তদন্তে ব্রেট কাভানাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ায় তার প্রদান বিচারপতি হওয়ার পথ প্রায় উন্মুক্ত হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার অনুসারীরা ঘোষণা দেন এফবিআই ব্রেট কাভানাকে নির্দোষ মনে করছে। যদিও বিরোধি ডেমোক্রেটরা এফবিআই তদন্তকে অসম্পূর্ণ বলে অভিহিতি করেছেন। ডেমোক্রেটিক সেনেটর ডিয়েন ফিনস্টাইন বলেছেন, এফবিআইয়ের রিপোর্ট অসম্পূর্ণ। আরেকজন সিনেটর পুরো বিষয়কে হোয়াটওয়াশ বলে মন্তব্য করেছেন।

বিচারপতি কাভানার বিরুদ্ধে একাধিক যৌণ হয়রানির অভিযোগ ওঠে। ১৯৮২ সালে হাইস্কুল ছাত্রী ক্রিস্টিনা ব্লেশলে ফোর্ডকে যৌণ হয়রানীর অভিযোগ ওঠে কাভানার বিরুদ্ধে। ওয়াল স্ট্রীট জার্নালে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেন কাভানা।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগে পদ্ধতিগেত সিনেট ভোট অনুষ্ঠিত হবে আজ শুক্রবার। তার আগে ওয়াশিংটনে বিক্ষেোভের আয়োজন করা হয়। এর আগে সিনেটে কাভানা নিয়োগ প্রশ্নে দ্বিমত দেখা দেয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এফবিআই তদন্তের অনুমতি দিতে অনেকটা বাধ্য হন। এফবিআইয়ের তদন্তে অভিযোগমুক্তির সংবাদ আসায় সিনেটে নির্বিঘ্নে জেতার পরিবেশ তৈরী হয়েছে। ৫৩ বছর বয়সী ব্রেট কাভানা প্রধান বিচারপতি হলে গর্ভপাত, বন্দুক নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটের পদ্ধতিগত বিষয়ে রক্ষণশীলদের সুবিধা হবে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে ব্রেট কাভানা বেশ রাগত স্বরে তার সাক্ষ্যে তিনি সম্মিলিত রাজনৈতিক আঘাতের শিকার দাবী করে বলেন, আমার বলার ধরণ তীক্ষণ। আমার আর কিছু বলার নেই।

শুক্রবার ভোট শেষে শনিবার ঘোষণা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। বোঝা যাবে ব্রেট কাভানা প্রধান বিচারপতি হতে পারছেন কিনা। যদিও তার প্রধান বিচারপতি হওয়া এখন অনেকটাই নিশ্চিত।


%d bloggers like this: