ঢাকা, বুধবার , ২৪ জুলাই ২০১৯, | ৯ শ্রাবণ ১৪২৬ | ২০ জিলক্বদ ১৪৪০

ম্যান্ডেলার কারা স্মৃতিবিজড়িত রোবেন দ্বীপে হানিফ সংকেত

নেলসন ম্যান্ডেলার দীর্ঘ কারাজীবনের স্মৃতিবিজড়িত রোবেন দ্বীপে গিয়েছেন ‘ইত্যাদি’ নির্মাতা উপস্থাপক হানিফ সংকেত। কেথা বলেছেন রোবেন দ্বীপের কারাগারের কর্মরত কর্মকর্তার সঙ্গে। যে কথোপকথন প্রদর্শিত হবে আগামীর ইত্যাদিতে।

নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে হানিফ সংকেত লেখেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বর্ণবাদ বিরোধী কিংবদন্তী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা, দক্ষিণ আফ্রিকার আপামর মানুষের প্রিয় মাদিবা নেলসন ম্যান্ডেলার দীর্ঘ ২৭ বছরের জেল জীবনের ১৮ বছরই কেটেছে নির্জন দ্বীপ ‘রোবেন আইল্যান্ডে’। ৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপের চারিদিকেই রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগরের প্রবল স্রোতের মরণফাঁদ। যে ফাঁদ পেরিয়ে দ্বীপ থেকে বেরিয়ে কারোরই তীরে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ কারণেই এই দ্বীপটি বন্দীশালা হিসাবে ব্যবহার করা হতো। দক্ষিণ আফ্রিকায় আগত পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ম্যান্ডেলার এই বন্দীশালাটি। যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বর্ণবাদের সময়কার দুঃসহ স্মৃতি। গত ২৬ জুন আমি গিয়েছিলাম এই দ্বীপে। এখানে এসে আমার কথা হয়েছিল এই কারাগারে কর্মরত ইটুমেলিং মাকুয়েলার সাথে। একসময় মাকুয়েলাও এখানে দীর্ঘদিন বন্দী জীবন কাটিয়েছেন। তার কাছ থেকে জেনেছি রোবেন দ্বীপ এবং নেলসন ম্যান্ডেলার বন্দীজীবনের অনেক অজানা কথা। যার কিছুটা দেখাতে চেষ্টা করবো ইত্যাদি’র আগামী কোন এক পর্বে।

এ প্রসঙ্গে হানিফ সংকেত আজ২৪কে বলেন, ইত্যাদি দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান তুলে ধরেছি। এতে আমি নিজে সমৃদ্ধ হয়েছি। প্রাপ্ত জ্ঞান দেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। রোবেন দ্বীপে বাংলাদেশের কোন টিভি ক্যামেরা কখনও যায়নি। ব্যক্তিগত ভাবে কেউ গিয়েছেন কি না তা আমার জানা নেই। তবে রোবেন দ্বীপ-নেলসন ম্যান্ডেলার বন্দীজীবন ইত্যাদি দর্শকদের মনের খোরাক যোগাবে এটুকু বলতে পারি।


%d bloggers like this: