ঢাকা, সোমবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, | ৩ পৌষ ১৪২৫ | ৯ রবিউস-সানি ১৪৪০

‘শামসুর রাহমানের কবিতায় সামগ্রিক সমাজসত্ত্বার বিবর্তন উঠে এসেছে’

শামসুর রাহমানের

শামসুর রাহমানের কবিতায় সামগ্রিক সমাজসত্ত্বার বিবর্তন উঠে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন তার ৯০ তম জন্মদিন উদযাপন করতে আসা বক্তারা।
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ৯০তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে একক বক্তৃতানুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন বাংলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বক্তৃতা করেন শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খান।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির ফেলো, বিশিষ্ট কবি আসাদ চৌধুরী। এতে শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’ কবিতার আবৃত্তি পরিবেশনা করেন শিমুল মুস্তাফা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কবি আসাদ মান্নান, হালিম আজাদ, লিলি হক প্রমুখ।

স্বাগত ভাষণে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, যতদিন বাংলা ভাষা ও কবিতা বহমান থাকবে ততদিন উচ্চারিত হবে কবি শামসুর রাহমানের অমর নাম।

অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খান বলেন, শামসুর রাহমানের কবিতা ধারণ করেছে আমাদের সমাজসত্তার সামগ্রিক বিবর্তন। তিনি আমাদের চেতনার কাব্যিক রূপকার। ভাষা আন্দোলন পূর্ববাংলার কবিতাকে যেভাবে বদলে দিয়েছে শামসুর রাহমানের কবিতাকেও সে প্রেক্ষাপটে বিচার করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সমাজমানসের বিবর্তনের সঙ্গে শামসুর রাহমানের কবিতাকে মিলিয়ে পাঠ করলে আমরা দেখব তিনি এ অঞ্চলের সমস্ত সংগ্রামী, সদর্থক ও শুভবাদী আকাক্সক্ষার সঙ্গে যোগাযোগ অনুভব করেছেন। কবিতাকে জনপ্রিয় করেছেন। শিল্পমান অক্ষুন্ন রেখেও কবিতাকে যে মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসা যায় সে সত্য তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। উদ্ভট উটের পিঠে স্বদেশকে চলতে দেখেও তিনিই সেই কবি যিনি বলতে পারেন ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহ-পরিচালক সায়েরা হাবীব।


%d bloggers like this: