ঢাকা, মঙ্গলবার , ১৬ জুলাই ২০১৯, | ১ শ্রাবণ ১৪২৬ | ১২ জিলক্বদ ১৪৪০

শেষ শরতে স্বস্তির বৃষ্টি

স্টাফ রিপোর্টার ● শরতের শেষ দিকে কয়েক দিন ধরে কেমন একটা গুমোট ভাব ছিল। বাতাস নেই, বৃষ্টি নেই। রয়েছে প্রখর রোদ। বাইরে কিছুটা সময় থাকলেই ঘেমে-নেয়ে উঠছিল শরীর। সব মিলিয়ে অস্বস্তি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নামা বৃষ্টি অসহনীয় সেই ভাব দূর করেছে।

আবহাওয়া বিভাগ জানায়, রাজধানী ঢাকায় সবশেষ বৃষ্টি হয়েছিল গত ৩০ সেপ্টেম্বর, যার পরিমাণ ছিল ২ মিলিমিটার। আজ সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে মোংলায়।

মুষলধারে না হলেও সারা দেশেই এই অল্পস্বল্প বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বর্ষাকাল বিদায় নিচ্ছে। বছর গড়িয়ে শেষ হতে যাচ্ছে বৃষ্টির মৌসুম, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ‘পোস্ট মনসুন’। এই সময়ে রোদ পড়বে, আবার বৃষ্টিও হবে। বৃষ্টি হলেও গরম পড়বে। এভাবে হেমন্তকাল আসবে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, শরতের গরম ও গ্রীষ্মের গরমের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। চৈত্র, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে তাপমাত্রা বেশি থাকে। তখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা থাকলেও বাতাস বয়ে যায়। আর্দ্রতা কিছুটা কম থাকে। কিন্তু শরতের দুই মাস ভাদ্র ও আশ্বিনে তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ওঠে না। কিন্তু বাতাস কম বইলেও এতে জলীয় বাষ্প বেশি থাকে। এ কারণে মানুষের শরীর থেকে অনবরত ঘাম ঝরে। বাতাস কম থাকায় ঘাম আবার শুকাতে চায় না। এ জন্য মানুষ অস্বস্তি বেশি অনুভব করে। তখন মনে হয় গরম বোধ হয় বেশি পড়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে।


%d bloggers like this: