ঢাকা, শনিবার , ২৩ মার্চ ২০১৯, | ৯ চৈত্র ১৪২৫ | ১৫ রজব ১৪৪০

সাকিবরাও দিতে পারলেন না চার-ছক্কার মজা!

গেইল প্রায় শুরু থেকেই চলে এসেছেন বিপিএল খেলতে। ওয়ার্নার-স্মিথ-লুইসরা এসেছেন। ডি ভিলিয়ার্স আসবেন। বিপিএলে খেলতে উড়ে এসেছেন অ্যালেক্স হেলসরা। কিন্তু রান নেই কারও ব্যাটে। দেশি তারকাদের মধ্যে তামিম-সৌম্য, লিটন-সাব্বির কিংবা সাকিব-মুশফিকরাও দিতে পারলেন না চার-ছক্কার মজা।

বিপিএলের ২০১৩ সালের আসরে সর্বোচ্চ ২১৭ রান তুলেছে ঢাকা। সেবার দেখা গেছে ১৯৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। বাংলাদেশের শাহরিয়ার নাফিস, আশরাফুল, শামসুর রহমান, সাব্বির রহমান কিংবা বিদেশি তারকাদের মধ্যে ক্রিস গেইল, আহমেদ শেহজাদ, ডেসকট, এভিন লুইসদের ব্যাট থেকে দেখা গেছে সেঞ্চুরি। কিন্তু এবার যেন নেই তার কিছুই।

সবার ব্যাটে মরিচা ধরেছে একথা বলার অবশ্য জো নেই। তবে উইকেটে যে গলদ আছে তা ম্যাচ দেখে বোঝা যায়। তা না হলে খুলনার করা ১১৭ রান তুলতে ঘেমে-নেয়ে উঠবে কেনো রাজশাহী। কুমিল্লা তারকাভরা ব্যাটসম্যান নিয়ে কেনই বা অলআউট হয়ে যাবে কম রানে। ওয়ার্নারকে ফিফটি করতে খেলতে হয় রানের সমান বল। ব্যাটসম্যানদের এই রান খরার কারণে মাঠে দর্শকও করছে খা খা।

টি-২০ ম্যাচ শুধু চার-ছক্কার হবে এমন ভাবা অবশ্য ভুল। আগের আসরগুলোতে কম রানের ম্যাচ হয়নি তাও না। কিন্তু দর্শক চান চার-ছক্কার খেলা। দর্শক টানতে না পারলে ব্যর্থ ধরা হবে টুর্নামেন্টও। ফ্রাঞ্চাইজি চাইবে না দল চালাতে। টিভি শর্ত মিলবে না। বিপিএল বিশ্বের অন্যতম সেরা লিগ না হওয়ার কারণ সম্ভবত এখানকার রান খরা।

এবার তার ব্যতিক্রম আশা করেছিল দর্শকরা। এছাড়া এবারের বিপিএলে বিতর্কিত আম্পারিং, হর্টস্পট না থাক, ধারাভাষ্যে গলদ তো আছেই। সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত অবশ্য দিয়েছেন কৃতপক্ষ। এখন দেখার বিষয় আগামী ম্যাচে পরিবর্তন কিছু চোখে পড়ে কিনা।

আজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক


%d bloggers like this: