ঢাকা, সোমবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, | ৩ পৌষ ১৪২৫ | ৯ রবিউস-সানি ১৪৪০

জেলেদের মুখে রুপালি ইলিশের ঝিলিক

সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। এই রুপালি ঝিলিক ছড়িয়ে পড়ছে জেলেদের চোখে-মুখে।ট্রলার ভর্তি মাছ আনতে পারায় খুশি তারা। তাই পটুয়াখালীর মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এখন কর্মচঞ্চল। মাছ কেনাবেচা এবং তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে ব্যস্ত মৎস্য ব্যবসায়ীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সামনের দিনগুলোতে মাছের পরিমাণ আরো বাড়বে বলে আশা করছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রতিদিন শত শত ট্রলারে মাছ বোঝাই করে পটুয়াখালীর মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আসছেন জেলেরা। প্রতিটি ট্রলারে ১০ থেকে ২০ হাজার ইলিশ উঠছে আড়তগুলোতে। আড়ৎদাররা ইলিশের স্তূপ নিয়ে বসেছেন পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে। মাছ বাছাই, প্যাকেট ও পরিবহন করতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। জেলেরা বলেন, ‘এখন মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে মাছ জালে আসলে আমরা দেনা শোধ করে পরিবার নিয়ে চলতে পারবো।’

হঠাৎ করে বাজারে মাছের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় কমতে শুরু করেছে দাম। তবে অস্বাভাবিক হারে বরফের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘আশি টাকার বরফ ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকায় কেনা লাগে। এর ফলে দাম বেশি পরে যায়। বরফের সিন্ডিকেটের কারণে এমন হচ্ছে।’

দেরিতে হলেও ইলিশ ধরা পড়ায় লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা আড়ৎদারদের। মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বলেন, ‘জেলেরা খুব খুশি। আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।’ আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সামনের দিনগুলোতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘পানি উচ্চতা বাড়লে ইলিশ দল বেঁধে প্রবেশ করে। সেকারণে জেলেরা মাছ ভাল পাচ্ছে।’

জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, পটুয়াখালীতে এক লাখের বেশি জেলে রয়েছেন। এরমধ্যে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৭ হাজার।


%d bloggers like this: