ঢাকা, মঙ্গলবার , ১৬ জুলাই ২০১৯, | ১ শ্রাবণ ১৪২৬ | ১২ জিলক্বদ ১৪৪০

সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য বিনিয়োগ ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি

বিনিয়োগ ও সামরিক

বিনিয়োগ ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিনের সফরে আগামী মঙ্গলবার সৌদি আরবে যাচ্ছেন।সফরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে রিয়াদে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে তার। এছাড়া সফরে প্রধানমন্ত্রী সৌদিআরবে বাংলাদেশের নতুন দূতাবাসও উদ্বোধন করবেন।

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর এ নিয়ে চতুর্থবার সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বশেষ এ বছরের এপ্রিলে সৌদি নেতৃত্বাধীন ২৩ দেশের যৌথ সামরিক মহড়া ‘গাল্ফ শিল্ড-১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি সৌদি আরব সফর করেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই শীর্ষ নেতার আলোচনায় ব্যবসা ও বিনিয়োগ, সৌদিতে বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিতে সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

রিয়াদের কূটনৈতিক সূত্রের তথ্যমতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশটিতে বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগ ও তাঁদের সুরক্ষার বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে, যেসব বাংলাদেশির ফিরে আসার ঝুঁকি আছে, তাঁদের সেখানে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানাবে বাংলাদেশ। এ বিষয়ের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সৌদি সমর্থন, সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের কর্মকাণ্ডের মতো দ্বিপক্ষীয়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

সরকারে উর্দ্ধতন এক কূটনৈতিক কর্মকর্তা বলেন, ‘সফরে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৩০জন প্রধান সৌদি ব্যবসায়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, যাদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পেপার মিলসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আগ্রহ আছে।’ এই সফরে দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে চার থেকে পাচঁটি সমঝোতা স্মারকেরও সম্ভাবনা আছে বলেও তিনি জানান। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য আমরা সৌদি বেসরকারি খাতের সঙ্গে আলোচনা করছি। এই অর্থনৈতিক অঞ্চল শুধু সৌদি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’

এবার সৌদি সফরের সময় ১৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন। একই দিনে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। পরদিন পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


%d bloggers like this: